মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ | ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রেকিং
৫৫৫ বার দেখা
শেয়ার করুন

পারভেজ হোসেন, লাখাই (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের লাখাইয়ে সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিবাহবিচ্ছেদের জন্য নির্ধারিত দুই লাখ টাকা পরিশোধ করতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হামলার শিকার হয়েছেন তোফাজ্জুল মিয়া (২৭) নামের এক যুবক। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। আহত অবস্থায় তিনি লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত তোফাজ্জুল মিয়া উপজেলার সাতাউক গ্রামের আলি আহমেদের ছেলে।

ভুক্তভোগী তোফাজ্জুল মিয়া জানান, দুই বছর আগে তিনি ধর্মপুর গ্রামের শাহজাহান মিয়া ওরফে সজু মিয়ার মেয়ে ফারহানা আক্তার হেনাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর কিছুদিন ধরে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরে গত ১ নভেম্বর বিকেলে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার জন্য সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয় এবং মেয়েপক্ষকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।

তিনি আরও জানান, সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই লাখ টাকা নিয়ে মামাকে সঙ্গে করে সন্ধ্যার দিকে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় টাকা পরিশোধের জন্য সঙ্গে নেওয়া নগদ দুই লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে সালিশকারকদের একজনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সালিশ বৈঠকে দুই লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং সেই টাকা পরিশোধ করতেই তোফাজ্জুল সেখানে গিয়েছিলেন। টাকা দেওয়ার সময় তাঁকে মারধর করা হয়েছে। তবে টাকা কার কাছে রয়েছে, তা তিনি নিজ চোখে দেখেননি।

এদিকে, যোগাযোগের চেষ্টা করেও অন্য সালিশকারক ও মেয়েপক্ষের লোকজনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Editing Section

এডমিন

এই লেখকের আরও সংবাদ ও আপডেট দেখতে প্রোফাইল ভিজিট করুন।

লেখকের সব সংবাদ দেখুন