শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ৮:৪০ পূর্বাহ্ণ
ব্রেকিং
৫৮৩ বার দেখা
শেয়ার করুন

এ.কে. পলাশ, কুমিল্লা, ৪ মে — কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটকের ১২ ঘণ্টা পর মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৪ মে) রাত ১২টার দিকে তাকে কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। — ভিডিও দেখুন — পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঝড়! ‘খেলা শেষ’ বার্তা, পিছিয়ে তৃণমূল

এর আগে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের শাসনগাছা এলাকার নিজ বাসা থেকে ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে আটক করে। আটকের প্রতিবাদে ও তার মুক্তির দাবিতে দুপুর থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীরা কোতোয়ালি থানার সামনে অবস্থান নেন। — ভিডিও দেখুন — পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঝড়! ‘খেলা শেষ’ বার্তা, পিছিয়ে তৃণমূল

একপর্যায়ে শাসনগাছা টার্মিনাল থেকে ঢাকা ও সিলেটসহ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরে বিকাল ৪টার দিকে আবার বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রেজাউল কাইয়ুম থানা থেকে বের হওয়ার সময় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উত্বাতুল বারী আবু ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন কায়সারসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তার মুক্তির খবরে থানা এলাকায় নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল বের করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই দিন আগে কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জসীম উদ্দিনের গাড়িবহর শাসনগাছা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় অটোরিকশা চালকরা জিপির নামে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে রেজাউলের অনুসারীদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের সমর্থকদের বাকবিতণ্ডা ও পাল্টাপাল্টি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এই ঘটনার জেরেই তাকে আটক করা হয়েছিল।

তবে আটকের কারণ সম্পর্কে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, সিনিয়র কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল।

অন্যদিকে, থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা শরীফ রাত ১১টার দিকে বলেন, সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তাকে আনা হয়েছিল।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিউল আলম দাবি করেছেন, রেজাউল কাইয়ুম বাস টার্মিনালের ইজারাদার নন এবং তিনি কোনো ধরনের চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নন।

রেজাউল কাইয়ুম কৃষিমন্ত্রী হাজি আমিনুর রশিদ ইয়াসিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

Editing Section

এডমিন

এই লেখকের আরও সংবাদ ও আপডেট দেখতে প্রোফাইল ভিজিট করুন।

লেখকের সব সংবাদ দেখুন