শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ৭:২৮ পূর্বাহ্ণ
ব্রেকিং
৫৬১ বার দেখা
শেয়ার করুন

আমির হোসেন, সুনামগঞ্জ, ২৫ এপ্রিল — সুনামগঞ্জে হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় কাবিটা প্রকল্পের জেলা মনিটরিং কমিটি গঠনে অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে। একই ব্যক্তিকে একাধিক গ্রুপে অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে কমিটির স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে। শিক্ষিকাকে জুতাপেটা! রাজশাহীতে বিএনপি নেতা বহিষ্কার | ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড়

জানা যায়, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত কাবিটা নীতিমালার আওতায় গত ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত কমিটিতে জেলার ১২ উপজেলার ৮টি গ্রুপে প্রতিনিধিদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ড. ইলিয়াস মিয়া ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য সচিব মো. মামুন হাওলাদারের স্বাক্ষর রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, একাত্তর টিভির জেলা প্রতিনিধি শহীদ নুর আহমদকে একাই ৪টি গ্রুপে রাখা হয়েছে। এছাড়া অধিকারের জেলা সমন্বয়ক আমিনুল হক ও এনজিও কর্মকর্তা সালেহীন চৌধুরী শুভকে ৩টি করে গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে আরও কয়েকজনকে একাধিক গ্রুপে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, জেলার বহু অভিজ্ঞ গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কমিটির ভারসাম্য ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সাংবাদিক জানান, বিদায়ী জেলা প্রশাসনের ঘনিষ্ঠদের প্রাধান্য দিয়েই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, “একই ব্যক্তিকে ৪টি গ্রুপে রাখা অনিয়মের স্পষ্ট উদাহরণ।”

অভিযোগ রয়েছে, এ ধরনের দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থার কারণে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির ঝুঁকি বেড়েছে। এতে সরকারি অর্থ অপচয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের নেতা ওবায়দুল হক মিলনকে ৩টি গ্রুপে মনোনয়ন দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। শিক্ষিকাকে জুতাপেটা! ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড়

বর্তমান জেলা প্রশাসক মো. মিনহাজুর রহমান বলেন, “আমি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার এলাকার সমস্যা বা খবর আমাদের জানাতে ই-মেইল করুন:
E-mail: ebanglanews71@gmail.com

Editing Section

এডমিন

এই লেখকের আরও সংবাদ ও আপডেট দেখতে প্রোফাইল ভিজিট করুন।

লেখকের সব সংবাদ দেখুন