শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | ৭:২৯ পূর্বাহ্ণ
ব্রেকিং

দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করুন, ইউএনওরা কি বার্তাটি শুনবেন?

৯ আগস্ট ২০২৬ • Editing Section
১,০৩৬ বার দেখা
শেয়ার করুন

এস এম মেহেদী হাসান

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তাঁর এই বক্তব্য নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় মাঠ প্রশাসনের হাত ধরেই।

প্রধানমন্ত্রী যখন ইউএনওদের বলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে, দেশের প্রতিটি মানুষকে নিজের মানুষ মনে করে কাজ করতে হবে, তখন এর অর্থ খুব পরিষ্কার। তিনি মাঠ প্রশাসনকে জনগণের জন্য কাজ করার নির্দেশনাই দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা এই বার্তা কতটা গুরুত্ব দিয়ে নেবেন?

প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি মুখোমুখি হন স্থানীয় প্রশাসনের। একজন কৃষক জমির সমস্যা নিয়ে, একজন ব্যবসায়ী লাইসেন্স নিয়ে, একজন ভূমিমালিক জমির কাগজ নিয়ে, একজন অসহায় মানুষ সরকারি সহায়তার জন্য যখন প্রশাসনের দরজায় যান, তখন তাঁর কাছে রাষ্ট্র মানেই স্থানীয় প্রশাসন। ইউএনও, এসিল্যান্ড, ভূমি অফিস, থানা, উপজেলা প্রশাসন, এসব জায়গাতেই রাষ্ট্রের উপস্থিতি তিনি সবচেয়ে বেশি অনুভব করেন।

তাই মাঠ প্রশাসনে একজন কর্মকর্তার আচরণ, সততা ও সিদ্ধান্ত শুধু তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় নয়। এর সঙ্গে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিও জড়িত।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি দায়িত্বে থাকা মানুষের জন্য মানুষের সেবা করার সুযোগ একটি আমানত। কথাটি খুব সাধারণ, কিন্তু এর গুরুত্ব অনেক। একটি সরকারি পদ মানে ক্ষমতা ভোগ করার সুযোগ নয়, বরং দায়িত্ব পালনের সুযোগ। অথচ বাস্তবতা হলো, দেশের বিভিন্ন জায়গায় সময় সময় ইউএনওসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে নানা অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে আসে। সব অভিযোগ সত্য নয়, আবার সব অভিযোগ সংবাদেও আসে না।

এখানেই আরেকটি বড় সমস্যা রয়েছে।

আগের মতো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখন আর তেমন দেখা যায় না। বিশেষ করে মফস্বলে একজন সাংবাদিক যখন কোনো সরকারি কর্মকর্তার অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধান করতে যান, তখন তাঁকে নানা ধরনের চাপের মুখে পড়তে হয়। সরকারি বিজ্ঞাপন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক, রাজনৈতিক চাপ, মামলা কিংবা হয়রানির আশঙ্কা থাকে। ফলে অনেক সাংবাদিক সত্য জানলেও সবসময় তা প্রকাশ করতে পারেন না।

শুধু মফস্বলের সাংবাদিকদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। ঢাকার সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও একই সংকট তৈরি হয়েছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সময়সাপেক্ষ, ঝুঁকিপূর্ণ এবং ব্যয়বহুল। তার ওপর আইনের অপপ্রয়োগের ভয় থাকলে অনেকেই ঝুঁকি নিতে চান না।

ফলে কোথাও অনিয়ম থাকলেও তা অনেক সময় জনসম্মুখে আসে না।

আর এই সুযোগেই অনিয়মের সংস্কৃতি শক্তিশালী হয়।

তবে ইউএনওদেরও বুঝতে হবে, একজন ভালো কর্মকর্তা হওয়ার জন্য সবসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে বিরোধে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা, প্রশাসনের কাজের তথ্য প্রকাশ করা এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জনগণকে জানানো হলে অনেক ভুল বোঝাবুঝি দূর হতে পারে।

একজন ইউএনও যদি নিয়মিত ব্রিফিং করেন, সরকারি অর্থ কোথায় খরচ হচ্ছে তা জানান, প্রকল্পের অগ্রগতি প্রকাশ করেন এবং অভিযোগ পেলে সাংবাদিকদের সামনে তার জবাব দেন, তাহলে তাঁর ওপর মানুষের আস্থা বাড়বে।

স্বচ্ছতা আসলে কর্মকর্তার দুর্বলতা নয়, শক্তি।

অবশ্য এ পথে বাধাও আছে। একজন ইউএনও যদি সত্যিই স্বচ্ছভাবে কাজ করতে চান, তাহলে তাঁকে স্থানীয় রাজনৈতিক চাপ সামলাতে হতে পারে। সরকারি দলের স্থানীয় নেতারা যেমন প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতে পারেন, তেমনি বিরোধী দলের নেতারাও বিভিন্ন বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করতে পারেন।

এখানেই সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী যদি ইউএনওদের বলেন, ‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করুন’, তাহলে তাঁর নিজের রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদেরও একই বার্তা দিতে হবে। ইউএনওদের কাছে কোনো ধরনের অনৈতিক সুপারিশ, চাপ কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধা চাওয়া যাবে না। সরকারি দলের পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা বন্ধ করতে হবে।

একই নিয়ম বিরোধী রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে না পারলে একজন ইউএনওর কাছ থেকে নিরপেক্ষতা আশা করা কঠিন।

তবে শুধু ইউএনওদের দিকে তাকিয়ে থাকলেও হবে না। তাঁদের ওপরের প্রশাসনিক কাঠামোকেও জবাবদিহির মধ্যে আনতে হবে। একজন ইউএনওর ওপরে উপজেলা পর্যায়ে যেমন প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে, তেমনি জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং সচিব পর্যায় পর্যন্ত একটি দীর্ঘ প্রশাসনিক ব্যবস্থা রয়েছে।

উপরের কর্মকর্তারা যদি অনৈতিক নির্দেশ দেন, তাহলে নিচের কর্মকর্তা কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করবেন?

এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সৎভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করতে হলে ওপরের স্তরেও একই ধরনের সততা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের কোথাও যদি ‘স্যারকে খুশি করা’, ব্যক্তিগত সুবিধা দেওয়া কিংবা অনৈতিক নির্দেশ পালনকে যোগ্যতার মাপকাঠি বানানো হয়, তাহলে নিচের স্তরেও তার প্রভাব পড়বে।

এখানে জেলা প্রশাসনের এলআর ফান্ড নিয়েও দীর্ঘদিনের প্রশ্ন রয়েছে। এই তহবিলের অর্থ কীভাবে ব্যয় হয়, কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়, তার পূর্ণাঙ্গ ও সহজবোধ্য হিসাব জনগণের সামনে কেন থাকবে না?

প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সফর, আপ্যায়ন বা নানা আনুষঙ্গিক ব্যয় যদি এলআর ফান্ড থেকে মেটানো হয়, তাহলে সেই ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব থাকা জরুরি। সরকারি অর্থের প্রতিটি টাকার হিসাব থাকার কথা। কেউ হিসাব চাইলে তাঁকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা উচিত নয়।

বরং হিসাব প্রকাশ করাই স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রথম শর্ত।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কর্মকর্তাদের পদায়ন। ইউএনও বা এসিল্যান্ড পদায়নে যদি তদবির, রাজনৈতিক সুপারিশ কিংবা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকে, তাহলে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে। একজন কর্মকর্তা যদি মনে করেন, একটি পদ পেতে তাঁকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাব ব্যবহার করতে হবে, তাহলে সেই কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনের শুরুতেই ভুল বার্তা পান।

সম্প্রতি বরগুনা সদর উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওন মজুমদার সুমনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগটি এ ক্ষেত্রে আলোচনার দাবি রাখে। তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর ও সংসদ সচিবালয়ের লেটারহেড ব্যবহার করে কথিত জাল ডিও পত্র তৈরির অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বদলি ঠেকিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জে পদায়নের সুপারিশ করতেই ওই নথি ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে যাচাই করে চিঠিটি জাল বলে শনাক্ত হয়।

এটি অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ। মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী বলা অবশ্যই ঠিক হবে না। তবে ঘটনাটি যদি তদন্তে প্রমাণিত হয়, তাহলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার অনিয়ম নয়, বরং সরকারি পদায়ন ব্যবস্থার দুর্বলতারও বড় উদাহরণ হবে।

একজন কর্মকর্তা যদি নিজের পদায়ন পছন্দমতো জায়গায় নিতে জাল সরকারি নথি ব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই, কেন একজন সরকারি কর্মকর্তা এমন ঝুঁকি নেবেন? পদায়ন ব্যবস্থায় কি এমন কোনো দুর্বলতা রয়েছে, যার কারণে কর্মকর্তারা রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে হবে।

একইভাবে ইউএনওদের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম বা ব্যক্তিগত আচরণসংক্রান্ত অভিযোগও যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া দরকার। অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা নিতে হবে, আর মিথ্যা হলে কর্মকর্তার সম্মানও রক্ষা করতে হবে। কাউকে গুজবের ভিত্তিতে দোষী বানানো যেমন অন্যায়, তেমনি সরকারি পদ ব্যবহার করে অনিয়ম করেও পার পেয়ে যাওয়া আরও বড় অন্যায়।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তাই মাঠ প্রশাসনের জন্য একটি সুযোগও তৈরি করেছে।

তাঁরা চাইলে এই বার্তাকে নিজেদের কাজের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। কোনো রাজনৈতিক নেতা অনৈতিক দাবি করলে তাঁরা বলতে পারেন, সরকারের নির্দেশনা হলো জনগণের কল্যাণে কাজ করা। কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি অন্যায় সুবিধা চাইলে তাঁরা আইন ও বিধিমালার কথা বলতে পারেন।

একজন ইউএনও যদি সত্যিই সৎ থাকেন এবং ওপরের প্রশাসনও তাঁকে সৎভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দেয়, তাহলে স্থানীয় রাজনীতির চাপ মোকাবিলা করা অনেক সহজ হবে।

কিন্তু এজন্য সরকারেরও কিছু কাজ করতে হবে।

প্রথমত, পদায়ন ও বদলিতে তদবিরের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, এলআর ফান্ডসহ যেসব তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন রয়েছে, সেগুলোর আয়-ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করতে হবে। চতুর্থত, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রশাসনের কাজে অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে হবে। পঞ্চমত, অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সৎ কর্মকর্তাকে সুরক্ষা দিতে হবে।

কারণ একজন কর্মকর্তা যখন অন্যায় প্রতিরোধ করেন, তখন তিনি একা হয়ে গেলে চলবে না। তাঁর পাশে প্রশাসনকে দাঁড়াতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার বার্তা থাকতে হবে, অন্যায় দাবি মানা হবে না এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে তা গ্রহণ করা হবে না।

শেষ পর্যন্ত একজন ইউএনওর কাছে সাধারণ মানুষ খুব বেশি কিছু চান না। তাঁরা চান ন্যায়বিচার, সঠিক সেবা, হয়রানিমুক্ত পরিবেশ এবং সম্মানের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ।

একজন কৃষক চান তাঁর জমির কাগজটি ঠিকভাবে দেখতে কেউ সাহায্য করুন। একজন অসহায় মানুষ চান সরকারি সহায়তাটি যেন প্রকৃত প্রাপকের হাতে যায়। একজন ব্যবসায়ী চান নিয়ম মেনে কাজ করার সুযোগ। একজন তরুণ চান সরকারি কোনো সুযোগ পেতে যেন তদবির করতে না হয়।

এই ছোট ছোট বিষয়গুলোই রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি করে।

প্রধানমন্ত্রী ইউএনওদের দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেটি শুধু একটি সভার বক্তব্য হয়ে থাকলে চলবে না। সেটি মাঠ প্রশাসনের কাজের সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে।

ইউএনওদেরও ঠিক করতে হবে, তাঁরা জনগণের কর্মকর্তা, নাকি শুধু ফাইলের কর্মকর্তা। তাঁদের ওপরের কর্মকর্তাদেরও ঠিক করতে হবে, তাঁরা নিচের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শুধু আনুগত্য চান, নাকি সততা ও দক্ষতাও চান।

রাজনৈতিক দলগুলোকেও ঠিক করতে হবে, তারা প্রশাসনকে জনগণের সেবা করার সুযোগ দেবে, নাকি নিজেদের প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার বানাবে।

সব পক্ষ যদি নিজেদের জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করে, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা বাস্তব অর্থেই কাজে লাগতে পারে।

দেশের মানুষ এমন প্রশাসনই চায়, যেখানে ইউএনওর দরজায় গিয়ে কাউকে তদবির করতে হবে না, ঘুষ দিতে হবে না, রাজনৈতিক পরিচয় দেখাতে হবে না। যেখানে একজন সাধারণ মানুষও মনে করবেন, এই কর্মকর্তা আমার জন্যই কাজ করছেন।

রাষ্ট্রের শক্তি শুধু আইন বা ক্ষমতায় নয়। রাষ্ট্রের আসল শক্তি হলো মানুষের আস্থা। সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে মাঠ প্রশাসনকে সত্যিই মানুষের কাছে যেতে হবে। আর শুরুটা হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সেই সহজ বার্তা থেকেই: দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করুন।

লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মুক্ত লেখক ও সাংবাদিক।

Editing Section

এডমিন

এই লেখকের আরও সংবাদ ও আপডেট দেখতে প্রোফাইল ভিজিট করুন।

লেখকের সব সংবাদ দেখুন